ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

হলুদ ক্ষেতে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর আগুনে ঝলসানো মরদেহ

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:২৩, ৬ অক্টোবর ২০২৬
হলুদ ক্ষেতে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর আগুনে ঝলসানো মরদেহ
পাবনার সুজানগরে হলুদের ক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া হোটেল ব্যবসায়ী সুপ্রভাত মদকের মরদেহ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনার সুজানগর উপজেলার আমিনপুরে সুপ্রভাত মদক (৩৮) নামে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পর মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পেছনের হলুদের ক্ষেত থেকে আগুনে ঝলসানো অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত সুপ্রভাত মদক উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়নের আহম্মদপুর মিস্ত্রিপাড়া গ্রামের সত্যচরণ মদকের ছেলে। তিনি কাশীনাথপুর বাজারে হোটেল ব্যবসা করতেন। আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে এলাহী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছিলেন সুপ্রভাত। বিকেলে তিনি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসক দেখানোর পর স্ত্রীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে পরে নিজে বাড়ি ফেরার কথা জানান। তবে এরপর তিনি আর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কিংবা বাড়িতে ফেরেননি।

সন্ধ্যার পর পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। পরে রাতে বিষয়টি আমিনপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়। এরপর পুলিশ তাঁর সন্ধানে তৎপরতা শুরু করে।

পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুপ্রভাতের মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়। রাত ১২টার দিকে তাঁর মোবাইল ফোনটি চালু পাওয়া যায়। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তাঁর নম্বর থেকে আবার ফোন এলেও অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পেছনের হলুদের ক্ষেতে স্থানীয়রা আগুনে ঝলসানো একটি মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তবে কারা এবং কী কারণে সুপ্রভাতকে হত্যা করেছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাঁর স্বজনরাও হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নন।

ওসি ফজলে এলাহী বলেন, সুপ্রভাতকে হত্যা করা হয়েছে, এটি নিশ্চিত। তবে হত্যার আগে তাঁকে আগুনে ঝলসানো হয়েছিল, নাকি হত্যার পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/পাবনা/এমকে
ট্যাগ: পাবনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!