ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

প্রধান শিক্ষিকা ও স্বামীর বিরুদ্ধে জমি আত্মসাতের অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে
নিয়ামতপুর ( নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:১৬, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রধান শিক্ষিকা ও স্বামীর বিরুদ্ধে জমি আত্মসাতের অভিযোগ
নিয়ামতপুরে প্রধান শিক্ষিকা ও স্বামীর বিরুদ্ধে জমি আত্মসাতের অভিযোগ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৯৭ নম্বর উষ্টিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩৩ শতক জমি ভোগদখল ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদা আরা এবং তাঁর স্বামী ও সাবেক শিক্ষক আজাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির প্রকৃত মালিকানা, রেকর্ড ও দখল পরিস্থিতি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট জমির রেকর্ড, মালিকানা, দখল ও ব্যবহার নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন প্রশ্ন ও অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, জমিটির প্রকৃত অবস্থা নিরূপণ এবং কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা চিহ্নিত করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

গত ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দাখিল করা লিখিত অভিযোগে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট জমির রেকর্ড, মালিকানা, দখল ও ব্যবহারসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের আবেদন জানিয়েছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জমির প্রকৃত মালিকানা ও ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান, দাগ নম্বর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা করা জরুরি। তদন্তে কোনো অনিয়ম, অবৈধ দখল কিংবা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে এমন অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। জমিটির প্রকৃত মালিকানা, বিদ্যালয়ের সঙ্গে এর সম্পর্ক এবং বর্তমান দখল পরিস্থিতি যাচাইয়ের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, লিখিত অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সত্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদা আরার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/নওগাঁ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!