ভারতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ, ১১ মেট্রোস্টেশন বন্ধ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে কর্তৃপক্ষ যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের পাশাপাশি মেট্রোরেল চলাচলের সূচিতেও কাটছাঁট করেছে। দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তার জন্য এ ধরনের নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রাজধানী নয়াদিল্লিতে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ১১টি মেট্রোস্টেশন।
যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ১৬৩ ধারার অধীনে বিধিনিষেধও জারি করা হয়েছে।
দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) আজ শুক্রবার এক ঘোষণায় জানায়, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজিব চক, সেবা তীর্থ, মান্ডি হাউজ, লোক কল্যাণ মার্গ, আইএনএ, চাউরি বাজার, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ ও নিউ দিল্লি স্টেশন বন্ধ থাকবে।
.png)
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ডিএমআরসি আরও জানায়, ১১টি স্টেশন বন্ধ থাকলেও রাজিব চক, মান্ডি হাউস, আইএনএ, নিউ দিল্লি এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে ইন্টারচেঞ্জ বা লাইন পরিবর্তনের সুবিধা চালু থাকবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে যে বিক্ষোভ, সেটি আয়োজনের অনুমতি অবশ্য দেয়নি দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার বেলা ১১টায় এই বিক্ষোভ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আয়োজন করেছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ), রাজ্যসভা এমপি মনোজ ঝা এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ।
অনুমতি না দিলেও বিক্ষোভ দমাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। যন্তর মন্তর ও নয়াদিল্লি জেলার আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সেস বা সিএপিএফ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রেস্ট ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার সূত্রমতে, প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশ নিতে পারেন। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস