রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সময় রাত পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে জানা গেছে।
রোববার রাতে নওগাঁর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে নিহতদের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
.png)
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১৭ বাংলাদেশির মধ্যে ১২ জন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের এবং পার্শ্ববর্তী নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালি, ডুবাই, বৈঠাখালি, খনজোর, পারকসুন্দা ও দিঘিরপাড় গ্রামের বাসিন্দারা রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিহতদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। স্বজনরা সৌদি আরবে থাকা পরিচিতজন ও সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন।
ঘটনার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতার অপেক্ষায় রয়েছে স্বজনরা।