ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

কিশোরগঞ্জে সম্মেলন কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:২৫, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কিশোরগঞ্জে সম্মেলন কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কিশোরগঞ্জে সম্মেলন করেছে।

শনিবার বাদ জোহর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহীদি মসজিদ চত্বরে এ সম্মেলন হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কিশোরগঞ্জ জেলা সভাপতি মাওলানা শাব্বির আহমাদ রশীদ।

Advertisement

সম্মেলনে প্রধান বক্তা আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী বলেন, ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের ওপর আঘাতকারীদের এ দেশে ছাড় দেওয়া হবে না। জাতীয় সংসদে স্পিকারের আসনের ওপরে কালেমা খচিত ক্যালিগ্রাফি ব্যবহার করে সরকার নিজেদের ইসলামবান্ধব হিসেবে জানান দিয়েছে, যা প্রশংসনীয়। সরকার যদি সত্যিই ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়, তাহলে কাদিয়ানিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করে তৌহিদি জনতার দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশেও তাদের অমুসলিম ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি। ইসলামের আকিদা অনুযায়ী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ নবী। কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের বিশ্বাস নিয়ে আপত্তি তুলে তিনি বলেন, তারা নিজেদের মুসলিম পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করছে।

মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, অবিলম্বে জাতীয় সংসদে বিল পাস করে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করুন এবং তৌহিদি জনতার দীর্ঘদিনের দাবি ও ক্ষোভের অবসান ঘটান।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা শাব্বির আহমাদ রশীদ বলেন, খতমে নবুওয়তের আকিদা রক্ষায় কিশোরগঞ্জের তৌহিদি জনতা সবসময় আপসহীন ভূমিকা পালন করে এসেছে। ইমানের স্বার্থে কিশোরগঞ্জের আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ প্রয়োজনে রক্ত দিতে প্রস্তুত, তবে খতমে নবুওয়তের পবিত্রতায় কোনো আঘাত সহ্য করা হবে না। কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা না করা পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

সম্মেলনে কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। এ সময় কাদিয়ানিবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানে শহীদি মসজিদ চত্বর মুখরিত হয়ে ওঠে।

মুফতি আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা শফিকুর রহমান জালালাবাদী, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী, পীর মাওলানা শাহ ইসমাঈল, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি বশির উল্লাহ, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী, মাওলানা মুহিবুল্লাহ, মাওলানা মুহাম্মদ, মাওলানা আবুল বাশার, মাওলানা উবায়দুল্লাহ আনোয়ার, মাওলানা সাঈদ আহমাদ, মুফতি সুলতান আহমদ জাফরী ও মুফতি মাহমুদ হাসান কাসেমী।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এম এ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!