টি-টোয়েন্টির এই ফরম্যাটের সঙ্গে যেনো অতোপ্রতভাবে জড়িয়ে আছেন বিশ্ব ক্রিকেটের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। কারণ শুরু থেকে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত যত টি-টোয়েন্টি কিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় তার সবকটিতেই অংশ নিয়েছেন তিনি। এ দিক দিয়ে অন্যতম এক রেকর্ডই বলা যায় সাকিবের।
আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে। এরইমধ্যে অংশগ্রহণকারী প্রায় সবকটি দল স্কোয়াড ঘোষণা করে ফেলেছে।
.png)
বৃহস্পতিবার ছিল বিশ্বকাপের দল ঘোষণার শেষ দিন। একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার বাংলাদেশ ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করলো।
এই স্কোয়াড ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সাকিব আল হাসান অনন্য এক মাইলফলকে নিজেকে জড়িয়ে নিলেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরে খেলা একমাত্র ক্রিকেটার এখন তিনি।
এ তালিকায় নাম তোলার সুযোগ ছিল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমের। রিয়াদ এবার বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়ায় ও মুশি অবসর না নিলে তারা বিশ্বকাপ দলে থাকলে সাকিবের পাশে বসার সুযোগ ছিল তাদেরও।
ক্রিকেট বিশ্বের খুব কম খেলোয়াড়ের এমন অর্জন আছে। ভারতের রোহিত শর্মা ও সাকিব আল হাসান এখন পর্যন্ত বিশ্বমঞ্চে বৈশ্বিক আসরে টিকে আছেন।
২০০৬ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবির্ভাব সাকিবের। তিনি ও মুশফিক ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি দলে ছিলেন।