এ ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত রুনা খন্দকারকে (৩৭) গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার রুনা খন্দকার উপজেলার ছোট বোয়ালী গ্রামের হারুন অর রশিদ জুয়েলের স্ত্রী।
জানা গেছে, উপজেলার শিবালয় নতুন পাড়ার সুরুজ্জামান সুমনের স্ত্রী শিখা আক্তারকে পাশের রুনা খন্দকার ফেসবুকে রিকুয়েস্ট দেন। এ নিয়ে ভুক্তভোগী নারী তাকে গালমন্দ করেন। সোমবার সকালে শিখার বাড়ি ঢুকে রুনা খন্দকার তাকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পরলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে থেকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতে শিখার পেটে থাকা পাঁচ মাসের বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায়।
.png)
শিবালয় থানার ওসি মো. শাহিন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামিকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান।