বিনোদন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, কেউ ভাঙা রাইড মেরামত করছেন। কেউ করছেন রঙের কাজ। সবার লক্ষ্য দর্শনার্থী আকর্ষণ করা।
কুমিল্লা নগরী থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে শালবন বৌদ্ধ বিহার। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে এটি দুই কিলোটার দূরে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় এখানে বিভিন্ন উৎসব ও শীতে দর্শনার্থীর ভিড় থাকে। এর নিকটবর্তী স্থানে কিছু রেস্টুরেন্ট রয়েছে। তবে আবাসিক ব্যবস্থা গড়ে উঠলে আরো দর্শনার্থী বাড়বে। শালবন বিহারের পরে রয়েছে কোটিলা মুড়া, রুপবান মুড়া। বেসরকারি পার্কগুলোর মধ্যে বেশি রাইড রয়েছে ম্যাজিক প্যারাডাইসে।
.png)
মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী সংসদের সভাপতি ডা. গোলাম শাহজাহান বলেন, বিনোদনের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কুমিল্লায় বেশ কিছু বেসরকারি পার্কও গড়ে উঠেছে। এগুলোর মধ্যে কিছু পার্ক মানসম্পন্ন। যেকেউ একদিনের জন্য এখানে ঘুরতে আসতে পারেন। শহরে সম্প্রতি থাকার ভালো কিছু আবাসিক হোটেলও গড়ে উঠেছে। রাইডের মূল্য আরো কম হলে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এসব জায়গায় যেতে পারবে।
ম্যাজিক প্যারাডাইসের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম বলেন, করোনার সময় কিছু রাইডস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়দের জন্য এখন ১৮টি রাইড সচল রয়েছে। এছাড়া কিডস জোনে রয়েছে ৩২টি রাইডস। ওয়াটার ওয়ার্ল্ডও আছে এখানে। আশা করছি, ঈদে ভালো দর্শনার্থী আসবে।
শালবন বৌদ্ধ বিহার ও ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান হাসিবুল হাসান সুমি বলেন, ঈদের দিন এ প্রতিষ্ঠান দুটি বন্ধ থাকবে। তবে ঈদের পরের দিন থেকে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আশা করছি, অন্য ঈদের মতো এবারো ভালো দর্শনার্থীর সমাগম হবে।