এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার ডাকা সালিশ বৈঠকে ছোরাসহ মামুন মিয়া (১৭) নামে এক বখাটেকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া রনি মিয়া (১৫) নামে অভিযুক্ত এক ছাত্রকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
উপজেলার তিল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ে গত সোমবার এই লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটে। আটক মামুন উত্তর আয়নাপুর গ্রামের মান্নান মিয়ার ছেলে। সে পড়ালেখা করে না।
.png)
শিক্ষকের লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয়রা জানায়, বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র রনি ও আশিক (১৫), সাগরসহ (১৫) আরো বেশ কয়েকজন বিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা করে না। তারা গোপনে স্কুলের ছাত্রীদের ছবি তুলে টিকটক ভিডিও তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দিয়ে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। নিষেধ করার পরও তারা এসব কাজ বন্ধ করেনি।
গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে রনি ও আশিক মোবাইল ফোনে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ছবি তুলতে থাকে। এ সময় সহকারী শিক্ষক মনিরুল ইসলাম নিষেধ করলে তাকে গালাগাল এবং রনি, আশিকসহ আরও ১০-১২ জন মিলে মনিরুল ইসলামকে মারধর করে।
পরে বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে সালিশে সাটুরিয়া থানার ওসি মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, তিল্লী ইউপির চেয়ারম্যান শরীফুল ইসলামসহ বিদ্যালয়ের কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক জানান, সালিশে ওই ছাত্রের সহযোগিরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিদ্যালয়ে এসেছিল। এখন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।