সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চন্ডিপাশা ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মতিউর রহমান সেজু। এর আগে গত মঙ্গলবার থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই তরুণী।
আলিউর রহমান উপজেলার চন্ডিপাশা ইউপির চামারুল্লাহ গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। ওই তরুণী একই উপজেলার বাসিন্দা।
.png)
তরুণী জানান, আলিউরের সঙ্গে প্রায় চার মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের কথা বলে আলিউর ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এখন বিয়ের কথা বললে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন আলিউর। এ জন্য বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে এসে অবস্থান নিয়েছি।
ইউপি সদস্য (মেম্বার) মতিউর রহমান সেজু বলেন, বিষয়টি নিয়ে সালিশও হয়েছিল। ওই সময় মেয়েকে ৫০ শতাংশ জমি লিখে দিয়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে নিখোঁজ ছিল ছেলে। এ কারণে বিষয়টির সমাধান হয়ািন বলে জানান তিনি।
চন্ডিপাশা ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় সালিশে তরুণীকে জমি লিখে দিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু রাজি নন ছেলের বাবা। এমনকি পলাতক রয়েছে ছেলেও। আজ যদি আলিউর তাকে বিয়ে না করে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নান্দাইল মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।