বৃহস্পতিবার রাতে গাংনী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। নিশাত তাসনিম উর্মি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি গাংনীর পদ্মা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হাসেম শাহর ছেলে আসিকুজ্জামান প্রিন্সের স্ত্রী এবং গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়ার মেয়ে।
নিশাতের বাবা গোলাম কিবরিয়া বলেন, গভীর রাতে বেয়াই মোবাইলে জানান, নিশাত অসুস্থ হওয়ায় তাকে গাংনী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে। অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে বলেন, নিশাত নাকি ঘরের জানালার সঙ্গে ফাঁস দিয়েছে। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে জানতে পারি, নিশাত অনেক আগেই মারা গেছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
.png)
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, লাশ উদ্ধার করে মেহেরপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। কিন্তু পরিবারের দাবি, নিশাতকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে জানা যাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা।