স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য সাইদুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ আগে সৌদি থেকে দেশে ফেরেন অভিযুক্ত ছেলে নুরে আলম। দুই বছর সৌদিতে থাকলেও দেশে টাকা-পয়সা পাঠাতে পারেননি তিনি। বিদেশ থেকে এসে একবার বাবা কামাল হোসেন রাজা মিয়াকেও মারধর করেন।
ঘটনার দিন দুপুরে মামার বাড়িতে গিয়ে মামা ও মামাতো বোনকে কাঠ দিয়ে পেটাতে থাকেন নুরে আলম। খবর পেয়ে নুরজাহান বেগম ছেলের হাত থেকে ভাই ও ভাতিজিকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। এ সময় নুরে আলম কাঠ ফেলে হাতে শাবল নেন। বাধা দিলে শাবল দিয়ে মা নুরজাহানকে মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই রক্তক্ষরণে মারা যান মা নুরজাহান। পরে নুরে আলম বাড়ি ফিরে কাপড় নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে।
.png)
লালমাই থানার ওসি আইয়ুব হোসেন জানান, নুরে আলমকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।