বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা সদর দক্ষিণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন।
মাত্র ১৯ দিনের ব্যবধানে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ।
.png)
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন কুমিল্লার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মো. মহরম মিয়া, কুমিল্লা নগরীর বর্জ্যপুর এলাকার পারভেজ, বারপাড়া এলাকার মো. ইয়াসিন ও মুরাদপুর এলাকার রুপা আক্তার। এর আগে আরো দুই আসামি দুলাল ও হোসেন মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ইজাজুলার বাবা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনকে এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন জানান, ইজাজুল আসামি শারমিন ও রুবেলের কাছে মাদক বিক্রির টাকা পাওনা ছিল। এই টাকা লেনদেন সংক্রান্ত কথাবার্তা বলতেই ২৫ জুন সন্ধ্যায় কান্দিরপাড় ডাকা হয় ইজাজুলকে। এ সময় মহরম ও পারভেজসহ অন্যান্যরা ইজাজুলকে ঘিরে ধরে ফুটপাতের ওপর নিয়ে গিয়ে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। আসামি মহরমের বিরুদ্ধে চুরি ডাকাতি মাদকসহ ১৪ টি মামলা, পারভেজের বিরুদ্ধে চুরি ডাকাতিসহ ৫টি মামলা এবং ইয়াসিনের বিরুদ্ধে মাদকের ৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা কামরান হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করার পর তারা কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচ এলাকায় পালিয়ে থাকেন তারা। পরে পুলিশের অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।