শনিবার বিকেলে র্যাবে মিডিয়া অফিসার সিনিয়র সহকারী পরিচালক নিশাত তাবাসসুম এ তথ্য জানান। এর আগে শুক্রবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাইনবোর্ড মিতালি মার্কেট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত রাসেল ফতুল্লা থানাধীন মাসদাইর ঘোষেরবাগ এলাকার নিজাম ড্রাইভারের ছেলে ও রায়হান একই এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে।
.png)
র্যাব- ১১ জানায়, আবজাল প্রধান একজন সিমেন্ট ব্যবসায়ী। তার সঙ্গে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৬ এপ্রিল আবজাল প্রধান প্রতিদিনের ন্যায় ব্যবসার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে দেওভোগ মাদরাসা মার্কেট সংলগ্ন হাসেমবাগ যাচ্ছিলেন। এ সময় রাসেল ও রায়হানসহ ১৫-১৬ জন একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল আবজালকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
র্যাব আরো জানায়, র্যাব-১১ এর একটি চৌকস দল হত্যা মামলার এজহারভুক্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য অনুসন্ধান শুরু করে এবং রাসেল ও রায়হানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা ঐ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী বলে স্বীকার করেছেন। তারা পেশাদার কিলার গ্রুপের সদস্য। টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন কিলিং মিশনে অংশগ্রহণ করেন।
আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট সাতটি মামলা চলমান রয়েছে এবং রায়হানের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় দুটি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট পাঁচটি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানায় র্যাব।