ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুায় নদীতে।
নবজাতকের নানা মামুন হোসেন বলেন, পাতাখালী থেকে নওয়াবেঁকী যাওয়ার একমাত্র কাঁচা সড়ক পানির নিচে। এরই মধ্যে লামিয়ার প্রসব ব্যথা শুরু হলে দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। তবে আল্লাহর রহমতে বিপদ কেটে গেছে। মাঝ নদীতে ফুটফুটে কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছে আমার মেয়ে লামিয়া।
.png)
নবজাতকের বাবা রিপন হোসেন বলেন, মাটির রাস্তা আর দুর্গম জনপদ হওয়ায় সন্তান প্রসবকারী রোগী আর স্বজনদের জন্য বিষয়টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে মাত্র দুই সপ্তাহ আগে উপহার পাওয়া ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটির কারণে আমার স্ত্রী মাঝ নদীতে সন্তান জন্ম দিতে পেরেছে।
ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের চালক মাসুম বিল্লাহ জানান, ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সে কাজ করায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সে ১২ জনের ধারণক্ষমতা রয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় রোগীদের নিয়ে আসা কঠিন। উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য এই ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই বেসরকারি সংস্থা এবানডান্স অব গুড ইংক ইউএসএর অর্থায়নে ও সোসিও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অ্যালায়েন্সের বাস্তবায়নে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা ও পদ্মপুকুরের মানুষের জন্য জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চালু করা হয় এই ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স।