শিয়ালের আক্রমণে আতঙ্কিত গাইবান্ধার মানুষ
গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকার লোকজন এখন শিয়াল আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত হলে শিয়ালের আনাগোনা বেড়ে যায়। এরইমধ্যে রাজু মিয়া নামে এক ব্যক্তি শিয়ালের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় শিয়ালটিকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছেন স্থানীয়রা।
জানা যায়, রাতের বেলায় গাইবান্ধার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের পথঘাট ও বাড়ির উঠানে অবাধে ঘোরাফেরা করছে বিশালাকৃতির শিয়ালের দল। এ সময় মানুষ যাতায়াত করতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। কুকুরের মতো দেখতে এ শিয়ালগুলো এরইমধ্যে শতাধিক মানুষকে হামলা করেছে। শুধু মানুষকেই না। গ্রামীণ বধূদের পালিত ছাগলের বাচ্চা ও হাঁস-মুরগি ধরে খাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। যার কারণে সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত হলেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
জরিনা বেগম নামের এক গৃহবধূ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করছি। এরই মধ্যে রাতের আঁধারে শিয়াল তিনটি মুরগি ধরে নিয়ে গেছে। এমন ক্ষতিতে দুশ্চিন্তায় আছি।’
.png)
সম্প্রতি রাতে বাহির থেকে বাড়ি ফিরছিলেন চকদাড়িয়া গ্রামের সবুজ মিয়া নামের এক যুবক। এ সময় রাস্তার উপরে কয়েকটি শিয়াল তাকে আক্রমণ করেছে বলে জানান তিনি।
পল্লী চিকিৎসক (পশু) বুলু মিয়া বলেন, ‘মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর রোগি দেখার উদ্দেশে বের হয়ে শালাইপুর নামকস্থানে পৌঁছালে আমার মোটরসাইকেলের সামনে দু’টি শিয়াল এসে হামলা করে। এ সময় কৌশলে রক্ষা পেয়েছি।’
সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহীনুল ইসলাম মন্ডল বলেন, কাউকে যদি শিয়াল কামড় দেয়, তাহলে জরুরিভাবে জলাতঙ্ক রোগের টিকা নিতে হবে।