তোর বাপ তারেক রহমানকে বল,ডাক্তার দিতে:সাংবাদিককে হাসপাতাল পরিচালক
রোগীর শয্যা কেটে দেওয়ার বিষয়ে জানতে গিয়ে ইন্টার টিভির কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মো. মাহফুজুল হক খান জিকুর সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অশোভন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নূর মো. শামসুল আলমের বিরুদ্ধে।
গত ১৭ অক্টোবর মুঠোফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কথোপকথনের একপর্যায়ে ওই সাংবাদিককে ‘তুই’ সম্বোধন করে কথা বলেন হাসপাতাল পরিচালক। এ সময় তিনি বলেন, ‘তুই তোর বাপ তারেক রহমানকে বল, হাসপাতালে ডাক্তার দিতে। তুই আমাকে ফোনে বিরক্ত করছিস কেন?’ এমন আচরণে বিব্রত ও মর্মাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক জিকু খান।
জানা যায়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর শয্যা কেটে দেওয়ার বিষয়ে জানতে গত ১৭ অক্টোবর মুঠোফোনে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাংবাদিক জিকু খান। এ সময় কথোপকথনের একপর্যায়ে পরিচালক তাঁর সঙ্গে অশোভন ভাষায় কথা বলেন বলে অভিযোগ করেন ওই সাংবাদিক।
জিকু খান আরও দাবি করেন, পরিচালকের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর মুঠোফোনটি লাউডস্পিকারে চালু ছিল। ফলে সেখানে উপস্থিত সহকর্মী সাংবাদিক ও রোগীর স্বজনেরাও কথোপকথন শুনতে পান। তাঁদের সামনে এ ধরনের ভাষা ব্যবহারে তিনি বিব্রত ও মর্মাহত হয়েছেন বলে জানান।
এ বিষয়ে সাংবাদিক জিকু খান বলেন, সহকর্মী সাংবাদিক ও রোগীর স্বজনদের সামনে লাউডস্পিকারে কথা বলার সময় হাসপাতাল পরিচালকের ‘তুই-তোকারি’ আচরণ এবং তারেক রহমানকে নিয়ে এমন মন্তব্যে তিনি মর্মাহত হয়েছেন। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ প্রত্যাশিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নূর মো. শামসুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।