ঢাকা,  শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

চট্টগ্রাম বোর্ডেও কমেছে পাশের হার, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯ জন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৪০, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বোর্ডেও কমেছে পাশের হার, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯ জন
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড

চলতি বছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ছিলো ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এই হার ছিলো ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। 

আজ শনিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ জহিরুল হক। শিক্ষাবোর্ডের তথ্যভাণ্ডার বলছে, গত ১৫ বছরের মধ্যে এটাই চট্টগ্রাম বোর্ডটির সর্বনিম্ন পাসের হার।

গত বছরের তুলনায় এ বছর পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ। একই সময়ে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩ হাজার ২০১ জন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার মোট ৯৯ হাজার ৮৭৮ জন শিক্ষার্থী এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন। পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি পাসের হার চট্টগ্রাম নগরে, ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় (নগরসহ) পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। অন্য জেলাগুলোর মধ্যে কক্সবাজারে ৪৩ দশমিক ৩৪, বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২, রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ এবং খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২৮৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি, ৭৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৫৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। মানবিক বিভাগে এ হার ৩৮ দশমিক ৩১ শতাংশ।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গত ১৫ বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১২ সালে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ। ওই বছর দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হয়। এরপর ২০২০ সালে করোনাকালে বিশেষ মূল্যায়ন পদ্ধতিতে শতভাগ পরীক্ষার্থীকে পাস করানো হয়।

২০২১ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে কমেছে পাসের হার। ২০২২ সালে ৭৮ দশমিক ৮, ২০২৩ সালে ৭৪, ২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৪ এবং ২০২৫ সালে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন। এবার সেই হার আরও কমে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে নেমেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/চট্টগ্রাম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!