২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আইনজীবী ইয়ারা উইঙ্কলার-শালিত তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোট ব্যয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তার স্ত্রী সারার আমলে হয়েছে। নথির একাধিক জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হেয়ারস্টাইলিস্ট ও মেকআপ শিল্পীদের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। এসব তথ্য গোপন রাখার কারণ হিসেবে ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা’র কথা উল্লেখ করা হয়।
মাসভিত্তিক হিসাবেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর আশপাশের সময়েও এ খাতে ব্যয় অব্যাহত ছিল। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চুল সাজাতে প্রায় ২ হাজার ৬০০ ডলার এবং মেকআপে ১ হাজার ৫৮০ ডলার খরচ হয়। শুধু অক্টোবর মাসেই চুল সাজানোর জন্য ৮১০ ডলার ব্যয় করা হয়।
.png)
বছরভিত্তিক তুলনায়ও বড় পার্থক্য দেখা যায়। ২০২৩ সালে মোট ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার ডলার। এর আগের বছর ২০২২ সালে নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের শাসনামলে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল মাত্র ২৭ হাজার ৬০০ ডলার। ২০২৫ সালে ব্যয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ডলারে উন্নীত হয়। এর বড় অংশ ব্যয় হয় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে। ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন সফরের সময় চুল ও মেকআপে ১৩ হাজার ৫০০ ডলার এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ওয়াশিংটন সফরে ১১ হাজার ৫০০ ডলার খরচ হয়।
পোশাক ও অতিথি আপ্যায়নসহ সরকারি প্রতিনিধিত্ব ভাতার আলাদা হিসাবও প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে দেখা যায়, নেতানিয়াহুর আমলে এ খাতে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ডলার। বেনেটের সময়ে ১৯ হাজার এবং লাপিদের সময়ে মাত্র ২ হাজার ৬০০ ডলার ব্যয় হয়। তবে গয়না, পোশাক বা ইমেজ কনসালট্যান্টদের পেছনে কত খরচ হয়েছে, সে তথ্য সরকার প্রকাশ করেনি। মুভমেন্ট ফর ফ্রিডম অব ইনফরমেশন এসব তথ্যও চেয়েছিল। সূত্র: ডব্লিউআইওএন