দর্শকদের আগ্রহে গল্প-চরিত্র বুঝে অভিনয় করছি: আইশা খান
বলার অপেক্ষা রাখে না, এই সময়ে ঢাকাই নাটকের ব্যস্ততম অভিনেত্রী আইশা খান। নাটক, ওটিটি, সিনেমা কিংবা গানের মডেল প্রায় সব মাধ্যমেই পদচারণা তার। সাম্প্রতিক ব্যস্ততা ও নানা প্রসঙ্গে ডেইলি বাংলাদেশের মুখোমুখি হন এ অভিনেত্রী। আলাপচারিতায় ছিলেন এম আর রুবেল।
ভালোবাসা দিবসের কয়টি নাটকে অভিনয় করেছেন?
আইশা খান: ভালোবাসা দিবসে দু’টি নাটকে অভিনয় করলেও প্রচার হয়েছে তিনটি। নাটকগুলো হলো, বুক পকেটের গল্প, হয়নি কোনো বলা ও খুশবু। রুবেল আনুশের ‘খুশবু’ নাটকের কাজ করেছিলাম অনেক আগে। কিন্তু প্রচার হয়েছে ভালোবাসা দিবসে। তিনটি নাটক থেকেই সাড়া পেয়েছি। তবে তুলনামূলক ‘খুশবু’ নাটক নিয়ে আলোচনা কম হয়েছে। নাটকটি প্রচার হয়েছে প্রচার ছাড়াই।
‘বুক পকেটের গল্প’ নিয়ে নিশ্চয়ই পরিতৃপ্ত?
আইশা খান: অবশ্যই। নাটকটি থেকে প্রচুর সাড়া পেয়েছি। চারদিকে নাটকটি নিয়ে অনেক আলোচনা চলছে। সুন্দর তিনটি গল্পের দারুণ সমন্বয় ঘটেছে নাটকে। নাটকটি পরিচালনা করেছেন জাহিদ প্রীতম। এখানে তিন জুটির ছয়জনের অভিনয়ই দর্শকদের ভালো লেগেছে। নাটকে আমি চঞ্চল প্রকৃতির মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। অভিনয়ের সুবাদে সিগারেট টানতে হয়েছে আমাকে। আমি কখনো এমন চরিত্রে অভিনয় করিনি।
ভালোবাসার দিবসের গানেও আপনাকে দেখা গেছে...
আইশা খান: গানচিলের ব্যানারে প্রকাশ হয়েছে ‘জোনাক জ্বলে’। হাবিব ওয়াহিদ ও ন্যান্সির কণ্ঠে এই গানে মডেল হয়েছি। গানটি লিখেছেন আলী বাকের জিকো, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন হাবিব ওয়াহিদ। মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন তানিম রহমান অংশু। এই কাজটিও করে অনেক ভালো লেগেছে।
এখন কি কাজ করছেন?
আইশা খান: বৃহস্পতিবার(আগামীকাল) থেকে সিলেটে বিপ্লব হায়দারের পরিচালনায় একটি ওয়েব ফিল্মের শুটিং করছি। নাম 'ভয়াল'। এর কাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের শেষ দিকে। কিছু অংশের শুটিং বাকি ছিল। কয়েক দিন শুটিং করলেই শেষ হয়ে যাবে।
কাজ কম করছেন কেন?
আইশা খান: আমি আগে থেকেই বেশি কাজ করা পছন্দ করি না। ভালো কাজ চাপ নিয়ে করা যায় না। তাই ধরে ধরে কম কাজ করছি। দর্শকদের আগ্রহে গল্প-চরিত্র বুঝে অভিনয় করছি। তারই ধারাবাহিকতায় কয়েকটি কাজ শেষ করে রেখেছি।
ঈদের নাটক শুরু করেছেন?
আইশা খান: ঈদের কয়েকটি নাটকের প্রস্তাব এসেছে। সামনে রোজার মাস। এই মাসে অভিনয় করা পরিবার থেকে নিষেধ আছে। বছরের ১১ মাস যা-ই করি না কেন রোজার মাসে নামাজ- রোজা ঠিকঠাক করতে হবে। ছোটবেলা থেকে পরিবারে এটাই হয়ে আসছে। তাই রোজার মাসে হয়তো কাজ করা হবে না। তার আগে কয়েকটি কাজ শেষ করার ইচ্ছে আছে।