জনপ্রিয় অভিনেত্রী আইশা খানও ব্যতিক্রম নন। সেসব নিয়ে ডেইলি বাংলাদেশের কাছে মনের আগল খুলেছিলেন অভিনেত্রী। আলাপচারিতায় ছিলেন এম.রবিউল।
কেমন কেটেছে ২০২৪?
আইশা খান: বেশ কেটেছে। সুন্দর একটি মিউজিক ভিডিও দিয়ে বছর শুরু হয়েছিল। তানিম রহমান অংশু ভাইয়ের নির্মাণে হাবিব ওয়াহিদ ভাই ও ন্যান্সি (নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি) আপুর কণ্ঠে ‘জোনাক জ্বলে’ গানের। এরপর ‘বুক পকেটের গল্প’ নাটক দিয়ে সবার বুক পকেটের গল্প হয়ে গেলাম। এছাড়া ১৫ দিনের ব্যবধানে ওটিটিতে মুক্তি পেল ওয়েব সিরিজ ‘ফ্রেঞ্জি’ এবং বড়পর্দায় ‘ভয়াল’।
.png)
_1735623011.jpeg)
এই চারটি ভিন্ন ধরনের কাজ এ বছর এসেছে। যা আমার জন্য ছিল অনুপ্রেরণামূলক। সত্যি বলতে ‘ভয়ালে’র সাড়া তুলনামূলকভাবে কম ছিল তবে বাকিগুলো থেকে দারুণ সাড়া পেয়েছি। চার ধরনের কাজ দর্শকদের উপহার দিতে পারাটা আমার ভালো লাগার ছিল। চেষ্টা থাকবে আগামী বছরও ভালো কাজ উপহার দেওয়ার। বিষয়টি মাথায় রেখে এরই মধ্যে শুরু করেছি।
এমন কোনো অভিজ্ঞতা কি হয়েছে যা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা নতুন বছর পথ চলতে কাজে লাগবে?
আইশা খান: এরকম অনেক কিছুই হয়েছে। মানুষ চিনেছি। আরো সুন্দরভাবে টিম ওয়ার্ক করে কীভাবে কাজ করা যায়- শিখেছি। নিজের ঘাটতিগুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছি যেগুলো কাটিয়ে উঠতে আগ্রহী। বারবারই বলেছি এ বছরটা আমার জন্য শিক্ষণীয়। যেসব ভুল চোখে পড়েছে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করব।
মনে রাখার মতো ঘটনা ঘটেছে?
আইশা খান: শুটিংয়ের প্রয়োজনে সহশিল্পীকে নিয়ে ৩০০ ফিটে স্কুটি চালাচ্ছিলাম। এমনিতে ভালো চালাতে পারি। তবে সেবার প্রথম কাউকে নিয়ে চালাচ্ছিলাম। ক্যামেরা টিমের সঙ্গে দূরত্ব ঠিক রাখতে গিয়ে ডান দিক থেকে যে একটি লরি আসছিল খেয়াল করিনি। আমার সহশিল্পী যদি পাশে না থাকত হয়ত সেদিন লরির নিচে ঢুকে যেতাম। এটা স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে থেকে যাবে।

২০২৫ নিয়ে প্রত্যাশা বা পরিকল্পনা কী?
আইশা খান: চেষ্টা থাকবে যত কম কাজ করা যায়, যত কম নিজেকে পর্দার সামনে আনা যায়। কেননা আমি মনে করি টানা কাজ করলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়ে। একঘেয়েমি ভর করে। আগামী বছর চেষ্টা করব গুছিয়ে নিয়মমাফিক কাজ করার। কাজের সংখ্যা হয়তো একটু কমে যাবে। তবে লক্ষ্য থাকবে ভালো গল্পে, পছন্দের নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করার।
থার্টি ফার্স্ট নাইটে পরিকল্পনা কী?
আইশা খান: থার্টি ফার্স্ট নাইটে আমি আরাম করে ঘুমাই। আমার কাছে মনে হয় এটা আরাম করে ঘুমানোর একমাত্র রাত। এছাড়া নতুন বছর উদ্যাপন করতে ওই দিনে কেউ কাজ রাখেন না। এটা আমার জন্য ভালো সুযোগ। যদি কোনো ইভেন্ট না থাকে তাহলে ওই দিন ঘুমিয়ে কাটাব।