দুদক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ১২ লাখ টাকার ছাগলকাণ্ডে দেশজুড়ে আলোচিত উচ্চপদস্থ এ কর্মকর্তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে গত ১৮ বছরের ব্যবধানে চার দফা টিম গঠন করা হয়। রহস্যজনকভাবে প্রতিবারই অভিযোগের পরিসমাপ্তি ঘটে।
জানা গেছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রথম অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয় ২০০০ সালের দিকে। তিনি ১৯৯৬ ও ১৯৯৭ সালে বেনাপোল বন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার ছিলেন। সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। দুদক তখন দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান ঝুলিয়ে রেখে ২০০৪ সালে অভিযোগের পরিসমাপ্তি ঘটায়।
.png)
এরপর নামে-বেনামে, দেশে-বিদেশে অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়ার অভিযোগে একই কায়দায় ২০০৮, ২০১৩ ও ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয় এবং তিনবারই অভিযোগ পরিসমাপ্তি করে তাকে ‘ক্লিন সার্টিফিকেট’ দেওয়া হয়।
মতিউর রহমান কাস্টমসের সহকারী কমিশনার থেকে বর্তমানে এনবিআর সদস্য হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে অন্যতম একজন। বাজার সংশ্লিষ্টদের কাছে তার পরিচয় ‘গেমলার’ হিসেবে।