মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়সালের আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জিআর শাখার কর্মকর্তা আক্কাস আলী। আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে আরও সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ২০ মে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য করেন।
.png)
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সাকিব আল হাসানসহ আসামিরা নিজেদের বিও হিসাব ব্যবহার করে শেয়ারবাজারে 'সিরিজ ট্রানজেকশন', প্রতারণামূলক 'অ্যাক্টিভ ট্রেডিং', জুয়া ও ভিত্তিহীন কারবারের মাধ্যমে কারসাজি করেছেন। তারা কৃত্রিমভাবে কিছু শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ১৭ জুন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। মামলায় সাকিব আল হাসান ছাড়াও অন্যান্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের ও তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, আসামিদের এই কারসাজির কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।