কক্সবাজারের মহেশখালী ও চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ রবিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে তিনি মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীতে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চলমান বিভিন্ন কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।
.png)
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী অঞ্চলে যাবেন। সেখানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে নবনির্মিত ঘর হস্তান্তর কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
দিনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, সকালে মহেশখালীর উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ পরিদর্শনের পর দুপুরে মহেশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর ফটিকছড়ির ,বাবুনগর মাদরাসায় আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে হাটহাজারীর মাদরাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন তিনি।
বিকালে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যাকবলিতদের জন্য আয়োজিত আরও একটি পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে 'রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ' হোটেলে একটি সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে মহেশখালী পর্যন্ত হেলিকপ্টারে পৌঁছাবেন এবং পরবর্তীতে ফটিকছড়ি থেকে সড়কপথে চট্টগ্রামে গমন করবেন। দিনব্যাপী সকল প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি শেষ করে রাতেই চট্টগ্রামের হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে তিনি রাজধানী ঢাকায় ফিরবেন।