রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার বি কে বাড়ি এলাকায় ১১০ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শনকালে এ পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জিয়া হায়দার।
পরিদর্শনকালে গিভেন্সী গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুল জাহিদ মকুল ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া তার সঙ্গে ছিলেন। তারা কেন্দ্রটির নারী ও পুরুষদের জন্য নির্মিত পৃথক ভবন ঘুরে দেখেন এবং সেখানে বসবাসরত প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তাঁদের জীবনযাপন, প্রয়োজন ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন।
.png)
কেন্দ্রটির কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পর ডা. জিয়া হায়দার বলেন, বয়স্ক মানুষকে সমাজের বোঝা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দীর্ঘ কর্মজীবন ও জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে তারা যে অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন, তা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। যথাযথ সুযোগ তৈরি করে সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, প্রবীণদের পুনর্বাসন ও কল্যাণকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি উপজেলায় বয়স্কদের জন্য একটি করে পুনর্বাসন কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
এসব কমপ্লেক্সে শুধু আবাসনের ব্যবস্থা নয়, প্রবীণদের সম্মানজনক ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সেবা-পরিচর্যা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে কেন্দ্রটির সুযোগ-সুবিধা, বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, প্রবীণদের কল্যাণে নিরাপদ ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের প্রয়োজনীয় সেবা, পরিচর্যা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার সুযোগ বাড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।