সম্প্রতি কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে ৫০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। তাদের মধ্যে বিদেশিরাও থাকছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে।
তবে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাবর হামুদ জাবর আল নুয়াইমি কোন কোন দেশের বাহিনীর সদস্যবৃন্দ নিরাপত্তার কাজে অংশ নেবেন তা খোলাসা করেননি। তিনি বলেন, কাতারের নেতৃত্বে বন্ধুসুলভ দেশগুলোর বাহিনীর সদস্যরা এ কাজে অংশ নেবেন। বিশেষ করে যাদের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে।
.png)
অবশ্য তুরস্ক জানিয়েছে, তারা ৩ হাজার দাঙ্গা পুলিশ প্রদান করছে। যার মাঝে ১০০ জন বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা, ৫০ জন বোমা বিশেষজ্ঞ ও ৮০টি স্নিফার কুকুর পাঠানো হবে।
এর আগে গত আগস্টে পাকিস্তানও ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাতারে সেনা পাঠাতে রাজি হয়। একই মাসে ফরাসি পার্লামেন্ট উপসাগরীয় রাষ্ট্রটিতে প্রায় ২২০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের অনুমোদন দেয়। পরে ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে।
মরক্কোর সঙ্গেও একটি নিরাপত্তাবিষয়ক সহযোগিতা চুক্তি করেছে কাতার। মরক্কোর সংবাদ আউটলেটগুলো এর আগে জানিয়েছিল, কাতারে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মোতায়েন করবে দেশটি।
৩০ লাখ লোকের দেশ কাতার। এর মধ্যে ১২ শতাংশ হলো দেশটির নাগরিক। ফলে মাসব্যাপী বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার সময় জনবলের ঘাটতি দেখা দেয়। সে কারণে পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে শুরু করে এবারের বিশ্বকাপ আয়োজক দেশটি।
ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যারা টিকিট কিনতে পারেননি তাদের টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের পর কাতারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। সম্প্রতি দোহায় একটি অনুষ্ঠানে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাবর হামুদ জাবর আল নুয়াইমি বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন, টিকিটবিহীন দর্শকরা ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের পর কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন। চলতি বছরের ২ ডিসেম্বর থেকে কাতারে ঢুকতে পারবেন তারা। কাতারে প্রবেশ করতে হলে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাদের হায়া কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।