তাইজুল-সাকিবের বোলিং তাণ্ডবে অল আউট ভারত
সফরকারী ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দারুণভাবে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। লোকেশ রাহুলের দল প্রথম ইনিংসে বড় লিডের স্বপ্ন দেখলেও টাইগারদের শেষ বিকেলের বোলিং নৈপুণ্যে প্রত্যাশিত ফল পায়নি।
ঢাকা টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩১৪ রানে অল আউট হয়েছে ভারত। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২২৭ রানে অল আউট হয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে টিম ইন্ডিয়ার লিড ৮৭ রান।
এক পর্যায়ে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২৫৩ রান। সেখান থেকে অল আউট হওয়ার আগে দলটি সংগ্রহ করতে পেরেছে মাত্র ৬১ রান। যেখানে বল হাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তাইজুল ইসলাম ও সাকিব আল হাসান।
.png)
তাইজুল-সাকিবের বোলিং তাণ্ডবেই মূলত বিরাট লিডের সুযোগ পেয়েও তা করতে পারেনি ভারত। দুজনই সমান চারটি করে উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট নেন।
বিনা উইকেটে ১৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে ভারত। দলের অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে ফিরিয়ে প্রথম আঘাত হানেন তাইজুলই। শুধু তাকেই নন, আরেক ওপেনার শুভমান গিল ও তিনে নামা চেতেশ্বর পূজারাকেও ফেরান এই স্পিনার।
প্রথম সেশনে এই তিন উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই বিরাট কোহলিকে ফেরান তাসকিন। অবশ্য সেই সেশনের বাকি সময় সহজেই কাটিয়ে দেন রিশাভ পান্ট ও শ্রেয়স আইয়ার।
দিনের তৃতীয় সেশনে সেরা সময় পার করে বাংলাদেশ। যেখানে একে একে ভারতের ছয়টি উইকেট তুলে নেয় টাইগাররা। প্রথমে পান্টকে আউট করেন মিরাজ। যার মাধ্যমে ভেঙে যায় আইয়ারের সঙ্গে তার ১৫৯ রানের জুটি।
এরপর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ। যেখানে শেষের গল্প রাঙান সাকিব। টাইগার অধিনায়ক একে একে চারজনকে সাজঘরের পথ দেখান। মাঝে একজনকে শিকারের আনন্দে মাতেন তাইজুল।
ভারতের হয়ে এ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৯৩ রানের ইনিংস খেলেন পান্ট। এছাড়া শ্রেয়স করেন ৮৭ রান। আর কেউই ফিফটির দেখা পাননি। পূজারা ও কোহলি যুগ্নভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন।