এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সদরদপ্তর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এই ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপ যৌথ বাছাইয়ের ড্রতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হয়েছে মালদ্বীপ।
একইদিনে বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের ড্রও অনুষ্ঠিত হয়েছে। শীর্ষ ২৬ দলের সঙ্গে রাউন্ড-১ পেরিয়ে আসা দলগুলো দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে খেলবে। এই পর্বে আসতে পারলে অন্তত ৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ ফুটবল দল। সেই সঙ্গে বাড়বে এএফসি এশিয়া কাপে খেলার সুযোগ।
.png)
বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপের ম্যাচটি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের রাউন্ড-১ এর অংশ। সাম্প্রতিক সময়ে দুইদলের ফর্ম বিবেচনায় এই ম্যাচ ঘিরে কিছুটা হলেও আশাবাদী হতে পারে বাংলাদেশ। দুই লেগের প্রতিযোগিতায় মালদ্বীপকে হারালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে লাল-সবুজরা।
মোট ৩৬টি দেশ নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় রাউন্ড। দ্বিতীয় রাউন্ডে এই ৩৬ দেশকে রাখা হয়েছে ৯টি গ্রুপে। মালদ্বীপকে পেছনে ফেলতে পারলে দ্বিতীয় রাউন্ডে আই গ্রুপে স্থান পাবে বাংলাদেশ। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া , ফিলিস্তিন এবং লেবানন।
এর আগেও এই তিন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের খেলার অভিজ্ঞতা আছে। ২০১৫ সালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে ৯-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। লেবাননের বিপক্ষে তিনবারের দেখায় একবার জয় পেয়েছে লাল-সবুজরা। ২০১১ সালে এসেছিল সেই জয়।
অবশ্য ফিলিস্তিনের সঙ্গে ৪ বারের দেখায় একবারও জয় পায়নি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় রাউন্ডের এই ড্র-তে সরাসরি দল পেয়েছে ২৬টি দেশ। কেবলমাত্র ‘এইচ’ গ্রুপে বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের গ্রুপেই আছে দুই দল। রাউন্ড-১ শেষে দুই দল যুক্ত হবে এখানে।