শনিবার ব্লুমফন্টেইনে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিং নেয় প্রোটিয়া অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। কিন্ত ডেভিট ওয়ার্নার এবং ল্যাবুশেনের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৩৯২ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় অজিরা। জবাবে ২৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় প্রোটিয়ারা। ফলে ১২৩ রানের বিশাল জয় পায় টিম অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল অজিরা।
ওই দিন প্রথম উইকেটেই ওয়ার্নার এবং ট্রাভিস হেড ১০৯ রানের জুটি গড়েন। মাত্র ৩৬ বলে ৬৪ করা হেড মিডঅনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তাব্রিজ শামশির বলে। মিচেল মার্শ ব্যাট হাতে শুন্য রানেই ফেরেন। শামশির বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে এলবিডাব্লিওর ফাদে মাঠ ছাড়েন তিনি।
.png)
এরপর ল্যাবুশেনকে নিয়ে ১৫১ রানের বিশাল জুটি গড়েন ওয়ার্নার। দলীয় ২৬০ রানে সাজঘরে ফেরার সময় ১২ চার ও ৩ ছয়ে ৯৩ বলে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।
অবশ্য রানের চাকা সচল রেখেছিলেন ল্যাবুশেন ও জশ ইংলিস। এসময় ওয়ানডে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করে কাগিসো রাবাদার শিকার হন ইংলিশ। তবে ল্যাবুশেনে ১৯ চার ও এক ছয়ের ৯৯ বলে ১২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস অস্ট্রেলিয়া ৩৯২ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেয়।
প্রোটিয়াদের হয়ে শামসি সর্বোচ্চ ৪ উইকেট এবং রাবাদা দুটি উইকেট নিয়েছে। বড় লক্ষ্য তারা করতে নেমে সূচনাটা দারুন করেছিল কুইন্টন ডি কক এবং বাভুমা। প্রথম উইকেটেই তারা ৮১ রানের জুটি গড়েন। তবে নাথান এলিসের স্লোয়ার লেংথ বলটি শট খেলতে গিয়ে বোলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৪৫ রান করে ফেরেন ডি কক।
অধিনায়ক বাভুমাও (৪৬) ব্যর্থ হয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি করতে। অ্যাডাম জাম্পার গুগলির ফাঁদে এলবিডাব্লিও হন তিনি।
এরপর উইকেটে যাওয়া আসায় ব্যস্ত ছিলেন এইডেন মারকাম (৩), রোসসি ভেন ডান ডসসেন (১৭)। এরপর ডেভিট মিলার হেনরিক ক্লাসেনকে (৪৯) নিয়ে ৫৮ ও মার্কো জানসেনকে নিয়ে ৬৪ রানের জুটি গড়েন। পরে দলীয় ২৪১ রানে মিলার ৪৯ রান করে ফিরলে আর কেউ দলের হাল ধরতে পারেন নি। ফলে বোলিংয়ে ২৬৯ রানেই অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
অস্ট্রেলিয়ার ৪ উইকেট নেন জাম্পা। এছাড়াও দুটি করে উইকেট পেয়েছেন এলিস, শেন অ্যাবট ও অ্যারন হার্দি।