সম্প্রতি অন্তর্জালে একটি ছবি ঘুরপাক খাচ্ছে। যা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা। আবার অনেকেই সেই তারকা ক্রিকেটারের ছবি নিয়ে করছেন রসিকতাও।
সামাজিক মাধ্যমে যার ছবি ঘুরপাক খাচ্ছে তিনি আর কেউ নন ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি। যাকে সতীর্থরা ডাকেন ‘চিকু’ বলে। এশিয়া কাপ চলাকালে পাকিস্তানের ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকেট পাকিস্তান’ গত শনিবার তাদের টুইটার হ্যান্ডেলে ভারতীয় এ তারকার ছোটবেলার ও বর্তমান সময়ের কোলাজ ছবি পোস্ট করে। সেখানে ক্যাপশনে তারা একটি প্রশ্ন রাখেন। তারা কি খেয়েছিল?
.png)
ব্যাট হাতে বিরাট প্রতিপক্ষ বোলারদের জম এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত রাতে এশিয়া কাপের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এতে ওয়ানডে ক্রিকেটে ৫ম ব্যাটার হিসেবে ১৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন কোহলি। একই সঙ্গে মাত্র ২৬৭ ইনিংসে দ্রুততম ১৩ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করার বিশ্বরেকর্ড গড়েন এ ডানহাতি ব্যাটার।
এই রান করতে স্বদেশি শচীন টেন্ডুলকারের চেয়ে ৫৪ ইনিংস কম খেলেছেন কোহলি। এছাড়া রিকি পন্টিংয়ের চেয়ে ৭৪, কুমারা সঙ্গাকারার চেয়ে ৯৬ এবং সনাৎ জয়সুরিয়ার চেয়ে ১৪৯ ইনিংস কম লেগেছে সময়ের অন্যতম সেরা এই ব্যাটারের। একই সঙ্গে ওয়ানডে ফরম্যাটে সেঞ্চুরিতে শচীন ছাড়া সবাইকে পেছনে ফেলেছেন কোহলি। আর মাত্র দুইটি সেঞ্চুরি হলেই শচীনকে স্পর্শ করবেন তিনি।
২০০৮ সালের ১৮ আগস্ট শ্রীলংকার বিপক্ষে ডাম্বুলায় ওয়ানডেতে অভিষেক হয় কোহলির। এরপর থেকে ভারতের জার্সিতে খেলেছেন ২৭৮ ম্যাচ। করেছেন ১৩ হাজার ২৪ রান। ৪৭টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি রয়েছে ৬৫টি হাফসেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ রান ১৮৩ রান।
এর দুই বছর পর ২০১০ সালের ১২ জুন টি-২০ ফরম্যাটে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে। এরপর থেকে ভারতের জার্সিতে খেলেছেন ১১৫ ম্যাচ। করেছেন ৪ হাজার ৮ রান। ১টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি রয়েছে ৩৭টি হাফসেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ অপরাজিত ১২২ রান।
পরের বছর ২০১১ সালের ২০ জুন টেস্ট ফরম্যাটে কিংসটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে কোহলির। এরপর থেকে ভারতের হয়ে সাদা জার্সিতে খেলেছেন ১১১ ম্যাচ। করেছেন ৮ হাজার ৬৭৬ রান। ২৯টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি রয়েছে ২৯টি হাফসেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৫৪ রান।
বল হাতেও খারাপ জান না কোহলি। ওয়ানডে ও টি-২০ ফরম্যাটে তুলে নিয়েছেন ৮ উইকেট। লিস্ট এ ক্রিকেটেও নিয়েছেন ৪ উইকেট। আইসিসি স্বীকৃত টি-২০তে নিয়েছেন ৮ উইকেট।