ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
এশিয়া কাপ ২০২৩

লজ্জার হার: কী হয়েছিল শ্রীলংকার?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:১৭, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
লজ্জার হার: কী হয়েছিল শ্রীলংকার?
ছবি: সংগৃহীত

কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে দর্শকরা হতবিহ্বল। ভারত শুরুর দিকে বুনো উল্লাসে মাতলেও পরবর্তীতে নিজেরাই যেন বিশ্বাস করে উঠতে পারছিল না। ঘরের মাঠে শ্রীলংকার ব্যাটিং লাইন আপ যে এভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে, তা হয়তো খোদ দলটির ক্রিকেটাররাও ভাবতে পারেননি।

৫০ রানে অল আউটের লজ্জা, অতঃপর ১০ উইকেটের হার। ব্যাটিং বা বোলিং সবদিকেই শ্রীলংকার অবস্থা ছিল হ-য-ব-র-ল। কিন্তু কী হয়েছিল শ্রীলংকার? যে কারণে ঘরের মাঠে এভাবে হতশ্রী পারফরম্যান্স করেছে দলটি?

প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের ইতিহাস বলে, এখানে আগে ব্যাট করা দল জয়ের দেখা পেয়েছে বেশি। চলতি এশিয়া কাপেও দেখা গেছে একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। বিগত ৯ দিনের মাঝে প্রেমাদাসায় এটি ছিল ষষ্ঠ ম্যাচ। সব ম্যাচেই সময় যত গড়িয়েছে, ব্যাট করা ততই কঠিন হয়ে উঠেছে।

Advertisement

আর তাই রোববার টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিতে দুইবার ভাবেননি শ্রীলংকা অধিনায়ক দাসুন শানাকা। এমনকি টস জিতলে ব্যাট করতেন, এমন তথ্য জানান ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মাও। তাই কিছুটা আপার হ্যান্ডে থেকেই ব্যাট করতে নামে স্বাগতিক দল।

তবে এদিন ভারতীয় বোলাররা, বিশেষ করে মোহাম্মদ সিরাজ ছিলেন নিজের সেরা ছন্দে। টসের পরপরই বৃষ্টি নামে। অল্প সময়ের এই বৃষ্টিতে পিচ পেস বোলারদের জন্য একটু সহায়ক হয়ে ওঠে। আর সেই সঙ্গে যোগ হয় জাসপ্রিত বুমরাহ আর সিরাজের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য।

দুইয়ে মিলে একদম শুরু থেকেই বল সুইং করাতে থাকেন বুমরাহ আর সিরাজ। বল বুঝে ধরে খেলার বদলে সুইং মিস করে শুরুতেই কয়েকটি উইকেট হারায় শ্রীলংকা। আকস্মিক এ বিষয়টির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না লংকানরা। আর তাই বল ছেড়ে দেওয়ার বদলে উল্টো আক্রমণ করতে যান আসালঙ্কা, সামারাবিক্রমারা।

আর এদিকে দারুণ লাইন-লেন্থ বজায় রেখে বল নিয়ে খেলতে থাকেন সিরাজ। তার দেওয়া ফাঁদে পা দিয়েই একেরপর এক উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলংকা। যার শেষটা করেন হার্দিক পান্ডিয়া। 

তাই বলা যায়, ভারতের বোলারদের ভালো ডেলিভারিকে সম্মান না করে অতি-আক্রমণাত্মক হওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি না বুঝে ব্যাটিং করার কারণেই এমন লজ্জাজনক হারের মুখ দেখেছে শ্রীলংকা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!