গতকাল তাই যেন এক রাতেই মাঠে দেখা গেল ম্যানচেস্টার সিটি, লিভারপুল, টটেনহ্যাম, চেলসি, ইন্টার মিলান, এএস রোমার মত দলগুলোকে। বড় এসব দলের মাঝে হতাশ হতে হয়েছে কেবল টটেনহ্যাম এবং ম্যানচেস্টার সিটিকে। দুই দল একে অন্যের দেখায় ৩-৩ গোলের ড্র করেছে।
তাতে অবশ্য সিটিজেন্সদের আক্ষেপই বেশি হওয়ার কথা। বাকি সব দলই নিজ নিজ ম্যাচে প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে। আর সেসব জয়ী দলে আর্জেন্টিনার আধিপত্যটাও ছিল চোখে পড়ার মতো। এক রাতেই স্কোরশিটে উঠেছে পাঁচ আর্জেন্টাইনের নাম।
.png)
শুরু করা যাক লিভারপুলের ম্যাচ দিয়ে। ফুলহ্যামের বিপক্ষে ম্যাচে গোল করে অলরেডদের হয়ে রোববার গোলের খাতা খুলেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জেতা মিডফিল্ডার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ম্যাচের প্রথমার্ধেই দুরপাল্লার এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন লিভারপুলের নাম্বার টেন।
অনেকেরই মতে এটাই হয়ত চলতি বছর প্রিমিয়ার লিগের সেরা গোলের খেতাব পেয়ে যেতে পারে। ম্যাচে লিভারপুল জয় পেয়েছে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে। ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে পিছিয়ে পড়েও অলরেডরা পেয়েছে দারুণ এক জয়।
ম্যাক অ্যালিস্টার যখন এক গোলে থেমেছেন, তখন চেলসিকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেছেন আরেক আর্জেন্টাইন এঞ্জো ফার্নান্দেজ। ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচে কনর গ্যালাহারের লালকার্ডে ১০ জনের দলে পরিণত হয় চেলসি। আগের দুই ম্যাচে নেই জয়।
সময়ের হিসেবে চেলসির শেষ জয় এসেছিল নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। সেখান থেকেই দলকে পথ দেখিয়েছেন এঞ্জো। বিশ্বকাপের সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার পাওয়া এ মিডফিল্ডার এদিন করেছেন জোড়া গোল। যার সুবাদে ব্রাইটনের বিপক্ষে ঘরের মাঠে চেলসি জিতেছে ৩-২ গোলের ব্যবধানে।
ব্রাইটনের হয়ে এদিন গোল করেছেন আরেক আর্জেন্টাইন ফাকুন্দো বুয়োনান্তে। আবার টটেনহ্যাম এবং ম্যানসিটি ম্যাচে গোল পেয়েছেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডের বড় কারিগর জিওভানি লো সেলসো। স্পার্সদের হয়ে মৌসুমটা ভালই কাটছে তার। চলতি মৌসুমেই ৫ ম্যাচে করেছেন ২ গোল।
এছাড়া সিরি আতে সাসুয়োলোর বিপক্ষে ম্যাচে জয়সূচক গোল করেছেন পাওলো দিবালা। জুভেন্টাসে রঙ হারিয়ে ফেলা দিবালা রোমার জার্সিতে নিজেকে অনেকটাই ফিরে পেয়েছেন। চলতি মৌসুমে ১০ ম্যাচে করেছেন ৪ গোল এবং ৫ অ্যাসিস্ট।
এমন অবস্থায় রোববারের রাতকে নিজেদের বলে দাবি করতেই পারেন আর্জেন্টাইনরা!