বিপিএলে ঐ আসরে ৫ ম্যাচ খেলে বাবরের ব্যাট থেকে একটি মাত্র ফিফটি বেরিয়ে এসেছিল। কিন্তু সেই ফিফটি সিলেট সিক্সার্সকে জেতাতে পারেনি। সেবার না পারলেও এবার সফল হয়েছেন তিনি।
আসরটিতে সব মিলিয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ৪ বার ব্যাট করা (২, ৪১, ৫৪ ও ২০) বাবরের সংগ্রহ ছিল মোট ১১৭ রান। কোনো বড় ম্যাচ জেতানো ইনিংসও ছিল না তখন।
.png)
এরপর ৭ বছর বিপিএলে খেলতে আসেননি বাবর। দীর্ঘ বিরতির পর এবার রংপুর রাইডার্সের হয়েই খেলতে এলেন বাবর। এবারও অর্ধশতক উপহার দিলেন দলকে; কিন্তু তার এবারের ফিফটি কাজে দিয়েছে। মঙ্গলবার শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দল জিতিয়ে হাসিমুখে মাঠ ছাড়লেন পাকিস্তান ও বিশ্বক্রিকেটের উজ্জ্বল তারকা বাবর।
এবারের বিপিএলে খেলতে এসে রনি তালুকদারের সাথে বাবর আজম যখন ব্যাটিং করতে নামলেন, তখন রংপুর রাইডার্সের সামনে টার্গেট ছিল মাত্র ১২১ রান। মনে হচ্ছিল খুব সহজেই লক্ষ্যে পৌছে যাবে রংপুর।
কিন্তু লঙ্কান লেগস্পিনার দুশান হেমান্তের এক ওভারেই সহজ হিসেব কঠিন হয়ে যায় রংপুরের। এক পর্যায়ে ৩৯ রানে ৬ উইকেট খুইয়ে চরম সংকটে পড়ে গিয়েছিল রংপুর। সেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের সঙ্গে সপ্তম উইকেটে ধৈর্য, আস্থা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলে দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন বাবর।
৮৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়লেন রংপুরের দুই ভিনদেশি। ৪৯ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকা বাবর একপ্রান্ত আগলে রাখলেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। বাবরের হাফসেঞ্চুরিতে চারের মার ছিল ৬টি।
তুলনামুলক স্লো উইকেটে কিভাবে ধৈর্য্য ধরে উচ্চাবিলাসী ও ঝুঁকিপূর্ণ শট কম খেলে ম্যাচ জেতানো যায় তাই দেখালেন বাবর। ফিফটিতে তিনি ডাবল খেলেছেন তিনটি। আর সিঙ্গেলস নিয়েছেন ২৫টি।
অন্যদিকে আফগান ওমরজাই উপহার দিলেন ৩৫ বলে ৪৭ রানের (তিন ছক্কা ও ২ বাউন্ডারি) সাহসী ও আক্রমণাত্মক ইনিংস। তাতেই খেলার ১০ বল আগে লক্ষ্যে পৌঁছালো রংপুর।