বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ডিমলা উপজেলার সদর ইউপির দক্ষিণ তীতপাড়া এলাকায় মেয়ের জামাতা কৈলাশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে মারা যান তিনি। অনিল চন্দ্র রায়ের বাড়ি ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ডেঙ্গুয়ার ঝাড় এলাকার উত্তর বরুয়াপাড়া এলাকায়।
জামাতা কৈলাশ চন্দ্র জানান, সকালে মারা যান তিনি। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন ও ভারতীয় হাইকমিশনকে অবহিত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাকে সৎকারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
.png)
তিনি আরো জানান, পাঁচ মেয়ের মধ্যে শুধু বড় মেয়েরই বিয়ে হয় বাংলাদেশে। তার তিন চাচাশ্বশুর ডিমলার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানায়, অনিল ৬ জুলাই ৩০ দিনের ভিসায় লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে ডিমলায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে জামাতার বাড়িতেই মারা যান তিনি।
ডিমলা থানার ওসি লাইছুর রহমান জানান, বিষয়টি ইউএনও জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সিদ্ধান্ত এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইউএনও বেলায়েত হোসেন বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। অনিল চন্দ্রের চার মেয়ে বাংলাদেশে লাশ সৎকারের ব্যাপারে ভারতীয় হাইকমিশনে যোগাযোগ করেছেন বলে শুনেছি। সিদ্ধান্ত এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত মরদেহ হিমঘরে রাখা হবে।
নীলফামারী পুলিশ সুপার অতিরিক্ত ডিআইজি মোখলেছুর রহমান পরিদর্শন করছেন। তিনি বলেন, দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ হস্তান্তর করা হবে।