পেয়ারার ভরা মৌসুম চলছে এখন। বাগান থেকে কাঁচা ও পাকা পেয়ারা বাজারজাত করার কাজে ব্যস্ত সময় পার করেছেন চাষিরা। ঝালকাঠি সদরের কীর্তিপাশা, শতাদশকাঠি ও ভীমরুলিসহ ১০টি গ্রামের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে রয়েছে পেয়ারা বাগান। এক সময় ফেরিতে আটকে থেকে অনেক পেয়ারা নষ্ট হয়ে যেত। কিন্তু পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর পাল্টে গেছে সেই চিত্র।
এই হাটে মৌসুমের শুরুতেই পাইকাররা এসে ভিড় করেন। প্রতিদিন ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যায় ঝালকাঠির পেয়ারা। নদীপথেও পেয়ারা নিয়ে যাওয়া হয় বিভিন্ন স্থানে। এবার পদ্মাসেতুর কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় মৌসুমের শুরুতেই ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারা হাটের অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে অসংখ্য পর্যটক ভিড় করতে শুরু করেছেন।
.png)
স্থানীয় পেয়ারা চাষি ভবেন্দনাথ হালদার জানান, পদ্মাসেতু চালু হওয়ায় এখানকার উৎপাদিত পেয়ারা এবং সবজি দ্রুত ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। সকালে বাগান থেকে তোলা পেয়ারা বিকেলের মধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে যাচ্ছে।এতে দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। আশা করা যাচ্ছে, এ মৌসুমে এ অঞ্চল থেকে ১০ কোটি টাকার পেয়ারা বিক্রি হবে। পদ্মাসেতু হওয়ায় এ অঞ্চলের চাষিদের ভাগ্য খুলে গেছে।
ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে এ বছর কৃষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ বছর ঝালকাঠিতে ৬২৯ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। পুরো মৌসুমে মোট ফলন হবে ছয় হাজার মেট্রিক টন। এর বাজারমূল্য দাঁড়াতে পারে ১০ কোটি টাকা।