আত্মীয় স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে গেছে বাড়ীর চারপাশ। শোকে বিহ্বল স্বজনেরা নিচ্ছেন লাশ দাফনের প্রস্তুতি। সব পরীক্ষার্থীরা যখন বাবা-মায়ের দোয়া নিয়ে পরীক্ষা দিতে আসে ঠিক সেই সময় বাড়ীতে বাবার লাশ রেখে পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে যান লিপি।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় পরীক্ষা ছিল লিপির। লিপির পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে উলিপুর মহারাণী স্বর্ণময়ী স্কুল এন্ড কলেজে। বাবার মৃত্যুতে মাথায় আকাশ ভেঙে পরে তার। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তার পরীক্ষায় অংশ নেয়া।
.png)
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার আগেই চোখের জল মুছতে মুছতে ওই কেন্দ্র আসে লিপি। সহপাঠী, কলেজের শিক্ষক ও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সহযোগিতায় পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সে। পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরলে দুপুরে তার বাবার লাশ দাফন করা হয়।
অধ্যক্ষ আহসান হাবীব রানা বলেন, লিপির বাবার মৃত্যুর খবর শুনে তাদের বাড়িতে গিয়ে তাকে সান্তনা ও সাহস দিয়ে পরীক্ষা দিতে পাঠিয়েছি। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিষয়টি অবগত করেছি তারা সার্বক্ষণিক তার দিকে নজর রাখবেন।
উলিপুর মহারাণী স্বর্ণময়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম সরদার বলেন, লিপির বাবার মৃত্যুর বিষয়টি অবগত আছি। বাবা হারানো প্রতিটি সন্তানের জন্য খুবই কষ্টদায়ক।