বুধবার সকালে র্যাব-৬ এর অভিযানিক দল ও রূপসা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিস যৌথভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
র্যাব-৬ এর মুখপাত্র এএসপি তারেক আমান বান্না জানান, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অপদ্রব্য পুশ করে চিংড়ির ওজন বৃদ্ধি করে বাজারজাত করে রূপসা এলাকার এই অসাধু ব্যবসায়ীরা। অবৈধভাবে চিংড়ি মাছে অপদ্রব্য পুশ করার দায়ে মৎস্য ও মৎস্য পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনে (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) ৬ ব্যবসায়ীকে ৫৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
.png)
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ওই প্রতিষ্ঠান থেকে জেলি পুশ করা ৫০ কেজি চিংড়ি, অপদ্রব্য জেলি ১০ লিটার এবং অপদ্রব্য জেলি পুশের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চিংড়ি মাছ, অপদ্রব্য (জেলি) ও অপদ্রব্য পুশ করার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাৎক্ষণিক প্রদান করায় সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।