বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ময়মনসিংহ মূখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের মধুপুর বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন ময়মনসিংহ সদরের রঘুরামপুর এলাকার নারায়ণ সূত্রধরের ছেলে লিটন সূত্রধর, নান্দাইল উপজেরার চরশ্রীরামপুর গ্রামের আসকর আলীর ছেলে রবিন মিয়া, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাদে শুশাড়িয়া বাড়ি গ্রামের মৃত মশির উদ্দিনের ছেলে শমসের আলী ও একই গ্রামের ঝালুর চর গ্রামের আজহার আলীর ছেলে শামীম মিয়া।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি পীরজাদা শেখ মোহাম্মদ মোস্তাছিনুর রহমান।
তিনি বলেন, দেশে গুজব প্রচলিত আছে ক্যানসারের ওষুধ তৈরিতে তক্ষক ব্যবহার হয়। তক্ষক ঘরে রাখলে সহসাই ধনী হওয়া যায়। এর মাথার ম্যাগনেটের দাম কোটি টাকা। প্রতিবেশী দেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এমন গুজবের ওপর ভর করে দেশজুড়ে সংঘবদ্ধ চক্র নির্বিচারে তক্ষক ধরছে। তারা গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তক্ষক নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করছে। এর পর প্রতারণার মাধ্যমে কথিত ‘মহামূল্যবান’ তক্ষক বা এর কঙ্কাল বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এই চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন অনেকেই। এদের পেশাই হচ্ছে তক্ষক বিক্রি করা।
ওসি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি তক্ষকসহ চারজনকে আটক করা হয়। পরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা দিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা চলছে।