বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসপি মোনালিসা বেগম।
গ্রেফতাররা হলেন, রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পাটকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে রুহুল আমিন মন্ডল (৫২), কাউনিয়া উপজেলার নাজিরদহ গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে আবু সায়েম (৪৭) ও ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৪২)। তারা সবাই ঢাকায় বসবাস করেন।
.png)
পুলিশ সুপার জানান, জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আব্দুল কাদের মিয়ার নির্দেশনায় এসআই আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী ব্রিজের ওপর অবস্থান করছিলেন। ওইসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিলুপ্ত প্রজাতির বন্যপ্রাণী তক্ষক চোরাচালানের সংবাদ পেয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলার টেংরাখালি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিফ হাজীর দোকানের সামনে থেকে রুহুল আমিন, আবু সায়েম ও আশরাফুলকে গ্রেফতার করা হয়। একইসঙ্গে তাদের হেফাজতে থাকা দুটি জীবিত তক্ষক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে দীর্ঘদিন যাবত বন্যপ্রাণী তক্ষক কেনাবেচা করে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে নালিতাবাড়ী থানায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। একইদিন বিকেলে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, চোরাচালানে সংঘবদ্ধ একটি চক্র বিভিন্ন বনাঞ্চল এলাকা ঘুরে তক্ষক সংগ্রহ করে উচ্চমূল্যে ভারতীয় হারবাল ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করে থাকে। একেকটি তক্ষক ১০-২০ লাখ টাকায় বিক্রি করে তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপস) খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইদুর রহমান, সদর থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল প্রমুখ।