সোমবার শেরপুরের সদর উপজেলার জঙ্গলদী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-১৪, সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার আশিক উজ্জামান।
গ্রেফতারকৃত আল মামুন মেলান্দহ উপজেলার চরপলিশা এলাকার আজিজুল হক মন্ডলের ছেলে।
.png)
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, রিথি ও তার স্বামী গোলাম রব্বানী একই বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতেন। এক সময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চলতি বছরের মে মাসে তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে থেকে রিথি বেশি সময় বাবার বাড়িতেই থাকতেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে রিথি বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে বৃষ্টিতে ভিজে শ্বশুর বাড়িতে আসেন। ঐদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঘরের মেঝেতে রিথির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর থেকে রিথির স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন। রিথিকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় রিথির বাবা ২১ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার পলাতক আসামি আল মামুনের বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে র্যাব।
র্যাব-১৪, সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার আশিক উজ্জামান জানান, মামলার পর থেকেই র্যাব ঘটনার তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে আসামি আল মামুনের অবস্থান নিশ্চিত করে সোমবার বিকেলে শেরপুরের সদর উপজেলার জঙ্গলদী এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।