ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ভগ্নিপতির লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষিকার

নাটোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:১৮, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভগ্নিপতির লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষিকার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভগ্নিপতির মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন স্কুলশিক্ষিকা ইয়ারুন নাহার লাকী (৪৫)। পথে অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন তিনি। স্বজনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার আগেই তাঁকে নিয়ে যেতে হলো হাসপাতালে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন লাকী।

সোমবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত ইয়ারুন নাহার লাকী গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বাঘিয়া গ্রামের আলতাফ হোসেন সবুজের স্ত্রী। তিনি আমরাইদ ইয়াকুব আলী শিকদার উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন।

Advertisement

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাকীসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য ছোট বোন খাইরুন নাহার সম্পার স্বামী রফিকুল ইসলামের (৫০) মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে বড়াইগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।

বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে গুরুদাসপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সটির সঙ্গে একটি কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ইয়ারুন নাহার লাকী, নুরুন নাহার লিপি, খাইরুন নাহার সম্পা, নূর আলম, আলতাফ হোসেন সবুজ, সিয়াম ও চালক আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে মারা যান লাকী।

একজন স্বজনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছে দিতে বেরিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই শোকের যাত্রাই শেষ পর্যন্ত কেড়ে নিল তাঁর জীবন। স্বজনের লাশের সঙ্গে বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও নিথর হয়ে ফিরতে হলো তাঁকেই।

দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানের চালক পালিয়ে যান। তবে পুলিশ কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করেছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!