বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুমি রানি বল।
তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য এখন পর্যন্ত মোট ১১৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রেগুলোর মধ্যে ৫০ জন পুরুষ, ৬৫ জন নারী ও ২৫ জন শিশু আশ্রয় নিয়েছেন।
.png)
সুমি রানি বল বলেন, পানিবন্দি মানুষদের মধ্যে বিতরণের জন্য ৯৬৫ টন চাল, এক হাজার ৫৬০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও নগদ ২৩ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সাধারণ মানুষের ঘর বাড়ির সঙ্গে বন্যার পানিতে ভেসে যাচ্ছে রোপা আমনের বীজতলাসহ মাছের ঘের। অনেক স্থানেই আবার বন্যার পানিতে মানুষদের মাছ ধরতেও দেখা গেছে। আর বন্যা দুর্গতদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ। জেলার নিম্নাঞ্চলগুলোত তলিয়ে গেলেও এখনো বেশিরভাগ উঁচু এলাকা রয়েছে অক্ষত। তবে যেভাবে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এলাকার পর এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।