শনিবার সকালে ফেনী-২ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ভিপি ফিতা কেটে ব্রিজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এসময় ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা, উপজেলা প্রকৌশলী দীপ্ত দাশ গুপ্ত, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল ও সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বিরসহ সরকারী কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
জানা গেছে, ফেনীর লেমুয়া ও ধলিয়া ইউনিয়নের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম কালীদাস পাহালিয়া নদীর উপর নির্মিত লেমুয়া ব্রিজ। পাকিস্তান আমলে তৈরি স্টিলের ব্রিজটি অকেজো হওয়ার পর বছরের পর বছর কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করণসহ নানা সমস্যার মধ্যে দিনাতিপাত করতে হয়েছে। এক পর্যায়ে ২০২৩ সালে স্টিলের ব্রিজের অবশিষ্ট অংশ খুলে সেখানে নতুন ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
ফেনী সদর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানায়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ছোট ফেনী নদীর উপর ৮৫ দশমিক শূন্য ৬ মিটারের পিএসসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ ১২ কোটি ৮৪ লাখ ৬ হাজার ৫৫২ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বাবুল চৌধুরী বলেন, ২০২৩ সালে কাজটি শুরু করার পর ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়। এর কিছুদিন পর ফেনীতে ভয়াবহ বন্যায় আমাদের নির্মাণ সামগ্রী ভেসে যায়। অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে ব্রিজটি নির্মাণ কাজ এগিয়ে নিয়েছি। সর্বশেষ বিগত বছরের ডিসেম্বরে কাজটি শেষ করার পর জনচলাচলের জন্য উম্মুক্ত করা হয়।
লেমুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. ফেরদৌস কোরাইশী বলেন, কালীদাস পাহালিয়া নদীর উপর নির্মিত স্ট্রীলের ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর এলাকার কৃতিসন্তান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুখ্য সচিব ও আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত সৈয়দ হাসান আহমেদ এখানে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য তদবির শুরু করেন। তার প্রচেষ্টায় এখানে ব্রিজটি নির্মাণ হয়। এ ব্রিজটির পাড়েই ফেনীর প্রাচীনতম লেমুয়া বাজার রয়েছে। ব্রিজটির মধ্য দিয়ে হাজার হাজার মানুষের দিন বদল হবে। যোগাযোগের ভোগান্তি দূর হবে।