বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভোরে বিএসএফ হাতীবান্ধার বড়খাতা সীমান্ত ফাঁড়ি এলাকার মাধ্যমে ১১ জনকে, পাটগ্রামের পৈশত্তাবাড়ী সীমান্ত ফাঁড়ি এলাকার মাধ্যমে ১০ জনকে এবং আদিতমারীর দুর্গাপুর-দীঘলতারী সীমান্ত এলাকা দিয়ে আরও ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় পুশ-ইনের চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি এবং তারা শূন্যরেখা বা দুই দেশের মধ্যবর্তী নিরপেক্ষ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
.png)
এক বিবৃতিতে লালমনিরহাট বিজিবি ব্যাটালিয়ন-১৫-এর গণমাধ্যম শাখা জানায়, অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিরোধে বাহিনীটি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'দেশের সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।'