ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মোংলা নদীতে মিলল রাত-দিন ফেরি সুবিধা

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩৯, ২৮ জুন ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মোংলা নদীতে মিলল রাত-দিন ফেরি সুবিধা
ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. শেখ ফরিদুল ইসলাম। সংগৃহীত ছবি।

দীর্ঘ ২৩ বছরের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মোংলা নদীতে ২৪ ঘণ্টার সার্বক্ষণিক ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে। এখন থেকে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর না করে দিন-রাত দুটি ফেরি নিয়মিত চলাচল করবে। এর ফলে মোংলাসহ চার উপজেলার লাখো মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন হলো।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৮টায় স্থায়ী বন্দর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফেরিঘাটে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সার্বক্ষণিক ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডা. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

Advertisement

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দর, ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চলের হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে এবং নদী পারাপারে দুর্ঘটনা এড়াতে এই ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস চালু করা হলো। ২০০৩ সালে মোংলা নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু হলেও এতদিন তা শুধু জোয়ারের সময় চলত। ভাটার সময় ফেরি বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। এখন থেকে দুটি ফেরি বিরতিহীনভাবে চলাচল করবে।

তিনি আরও জানান, মোংলা নদীর ওপর একটি আধুনিক ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। সেই সেতুর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ফেরি সার্ভিস পুরোদমে চালু থাকবে। এর ফলে স্থানীয় যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতির পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও গতি আসবে। বিশেষ করে জয়মনির খাদ্যগুদাম থেকে পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা ও রামপাল উপজেলার মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটবে। দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিপণ্য দ্রুত পরিবহনের কারণে এই ফেরি সার্ভিসটি দ্রুত লাভজনক হয়ে উঠবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনুপ দাস এবং বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এ আর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!