স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে সতর্কতামূলক মাইকিংসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত পরিবারগুলোর মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি হয়।
জেলার শালবন, কলাবাগান, সবুজবাগ, মাটিরাঙ্গা, ভূয়াছড়ি এবং মহালছড়ির ধুমনীঘাট এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা বেশি ঘটে। এর ফলে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বর্ষ মৌসুমে এসব এলাকা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
.png)
চলতি বছর বর্ষার শুরুতেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং, সেমিনার, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে এসব এলাকায় সতর্ক করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস ও রেডক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জানান, এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও কোনো পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। এরইমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সতর্কতামূলক মাইকিং করা হয়েছে।
পাহাড় ধসসহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে তা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।