আসামিরা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মহব্বত মোল্যা (৫০), উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের ইসরায়েল শেখের ছেলে সুজন শেখ (৪০), কমল জোয়ার্দারের ছেলে ইমরুল জোয়াদ্দার (৩৮), ও একই এলাকার খয়রার ছেলে আবু তাহের (৩৫)।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সকালে ব্যবসায়ী মো. ইদ্রিস আলী বিশ্বাস (৪০) তার ড্রাইভার মো. সোহাগকে নিয়ে বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে শ্রীপুর থানাধীন নাকোল স্ট্যান্ডে পৌঁছালে আসামিরা তাদের গাড়ি থামাতে বলে। গাড়ি থামালে আসামিরা ইদ্রিস আলীর গলায় ছুরি ধরে প্রাইভেটকারের চাবি ছিনিয়ে নেয়। একই সঙ্গে ড্রাইভারকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে প্রাইভেটকারটি নিয়ে পালিয়ে যায়। গাড়িটির আনুমানিক মূল্য ৫৬ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
.png)
ভুক্তভোগী ইদ্রিস আলী বিশ্বাস বলেন, বিবাদীদের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। তারা সুযোগ পেলেই ক্ষতি করার চেষ্টা করে। ঘটনার পর গাড়ির খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থানায় মামলা করি।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মহব্বত হোসেন বলেন, ছিনতাইয়ের অভিযোগটি মিথ্যা। আমি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত না। নাকোল স্ট্যান্ডে ঝামেলা দেখে আমি পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। টাকা পয়সার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। গাড়িটি উদ্ধারে নাকোল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।