সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ধরলা নদীর পূর্ব পাশের বেরিবাঁধ সংলগ্ন বোয়ালমারী থেকে খারুয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি কঙ্কালসার অবস্থা। চলতি বর্ষা মৌসুমে জন দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ইতোমধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত, কোথাও সড়কের দুই পাশের মাটি ধসে পাশের নিচু জমিতে পড়ে গেছে। তৈরি হয়েছে বিপজ্জনক খাদ। মোটরসাইকেল, ভ্যান, অটো-রিকশাসহ যানবাহন চলাচল একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই সড়কে চলাচল করছে স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটির বেহাল দশার কারণে অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো এবং কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য হাটে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে।
.png)
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোশারফ হোসেন বলেন, আগেও এই কাঁচা সড়কে কাজ হয়েছিল। কিন্তু তা ছিল নামমাত্র কাজ। যেখানে ধস ছিল, সেখানে সামান্য মাটি ফেলে হয়। বালু মাটির কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার দুই পাশ ধসে জমিতে পড়ে যাচ্ছে। ২০১৭ সালের বন্যায় সড়কটি ভেঙে গেলে এলাকাবাসী চাঁদা তুলে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচে তিন কিলোমিটার সড়ক মেরামত করে। কিন্তু স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর বর্ষায় ভোগান্তি পোহাতে হয়।
ইউপি সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সড়কটি বালুমাটির পরিমাণ বেশি থাকায় বর্ষাকালে ধসে যাচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ দিয়ে এই সড়কের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। সড়কটির দুই পাশে গাইডওয়াল নির্মাণ করে পাকাকরণ করলে জনভোগান্তি কিছুটা কমবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আল আমিন বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে প্রয়োজনীয় গাইডওয়াল নির্মাণসহ সড়কটি পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।