রোববার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা সেবনের আলামত, খেজুরের বিচি এবং ফ্রিজ থেকে শসা বের করে খাওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। হত্যার পর সন্দেহভাজনরা গোসলও করেছিল।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ঘটনাস্থলে আগুনে পরীক্ষা করা চুড়িরও আলামত পাওয়া গেছে। এসব আলামত বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
.png)
রংপুর ডিবির ডিসি সনাতন চক্রবর্তী জানান, ভোররাতে একই এলাকা থেকে সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাদের একসঙ্গে ও আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যার পর ওই দুই ব্যক্তি আরও ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বাড়িতেই অবস্থান করেছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ, লুটপাটের উদ্দেশ্য এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত ছিল কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।