ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

অবশেষে ছয়দিন পর ভেসে উঠল ঝুলন্ত সেতু

রাঙামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৫৩, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অবশেষে ছয়দিন পর ভেসে উঠল ঝুলন্ত সেতু
অবশেষে ছয়দিন পর ভেসে উঠল ঝুলন্ত সেতু। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

টানা ছয়দিন কাপ্তাই হ্রদের পানির নিচে ডুবে থাকার পর অবশেষে ভেসে উঠলো রাঙামাটির সিম্বল খ্যাত ঝুলন্ত সেতু।  শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন, রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ম্যানেজার আলোক বিকাশ চাকমা।

তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেলের দিকে ঝুলন্ত সেতু থেকে পানি সরে গেছে।  আমরা সেতুটি সংস্কারের কাজ করছি। আপাতত আগত পর্যটকদের কাছ থেকে ঝুলন্ত সেতুতে চলাচলের জন্য কোন টাকা নেওয়া হচ্ছে না।  পানি যে সরে গেছে সেটা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নোটিশ দিলে আমরা ফের পর্যটকদের কাছ থেকে সেতুতে চলাচলের জন্য টিকিটের টাকা নিবো।

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ২৯ আগস্ট ঝুলন্ত সেতুটি ডুবে যায়। জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এরপর নিরাপত্তার কারণে সেদিন দুপুর থেকে সেতুতে পর্যটকদের প্রবেশ ও চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

এরপর ওইদিন রাত ৮ টায় কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের প্রতিটি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া শুরু হয়। রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ১৬টি গেট দিয়ে প্রায় ১৮ হাজার কিউসেক পানি প্রতি সেকেন্ডে কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হয়েছিলো। ৩০ আগষ্ট সকাল ১০টা থেকে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া শুরু হয়। এখনো এ পানি ছাড়া অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, রাঙামাটি সদর উপজেলার তবলছড়ি এলাকায় পর্যটন করপোরেশন ১৯৮৬ সালে নয়নাভিরাম ৩৩৫ ফুট দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতুটি নির্মাণ করেছিলো। দুই পাহাড়ের মাঝখানে দুটি পিলারের ভর করে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন এ সেতুটি দেখতে জলপথে ও স্থলপথে যে কোনো মাধ্যমে সহজে যাওয়া যায়। বর্তমানে সেতুটি ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ হিসেবে দেশবিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এম ইউ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!